সাময়িক প্রসঙ্গ
মুহাম্মদী মোহরাঙ্কিত আশুরায়ে মুহার্রম
হিজরি সনের প্রথম মাস মুহার্রম। এ মাসের দশম তারিখকে আশুরা বলা হয়। ইতিহাসে আশুরা প্রসিদ্ধ দিন। এই দিনে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণ হয়। পৃথিবীর কুখ্যাত জালেম শাসক ফিরআউনের সলিলসমাধি হয়। অপরদিকে আল্লাহর নবী মূসা (আ.) ও নির্যাতিত বানী ইস্রা-ঈলের বিজয় সুনিশ্চিত হয়। ফিরআউনকে মূসা নবী ও তাঁর ভ্রাতা হারুন (আ.) তাওহীদের দাওয়াত দেন। যুল্ম ও নির্যাতন বন্ধের আহ্বান করেন। কিন্তু ফিরআউন দম্ভভরে তা প্রত্যাখ্যান করে। শুধু তাই না, মূসা ও হারুন (আ.)-সহ নিরীহ বানী ইস্রা-ঈলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। আচমকা বিশাল বাহিনী নিয়ে অগ্রসর হয়। জনৈক ব্যক্তি ডেকে বলেÑ হে মূসা (আ.)! দ্রুত প্রস্থান করুন! ফিরআউন বিশাল অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আপনাদেরকে ধাওয়া করছে।. . . বিস্তারিত

ওহে মুসলিম! কারবালার ঘটনায় বাড়াবাড়ি কেন?
প্রতি বছর মুহার্রম মাস আসলেই মুসলিম নামধারী একটি গোষ্ঠি ইসলামের ইতিহাসের একটি রাজনৈতিক ঘটনা নিয়ে মেতে উঠে। সেটা হচ্ছে ৬১ হিজরির মুহার্রম মাসের ১০ তারিখে ইরাকের কারবালায় রাসূল (সা.)-এর পবিত্র দৌহিত্র হুসাইন (রা.)’র শাহাদাত ও তাঁর পরিবারের বেশ কিছু সদস্যের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। এটাকে কেন্দ্র করে তারা এতটাই বাড়াবাড়ি করে যে, তাতে মনে হয় ইসলামের ইতিহাসে এছাড়া আর কোনো ঘটনা নেই। আশুরার দিন তারা তাজিয়া মিছিল, মাতম এবং ইসলামী ‘আক্বীদাহ্ বিরোধী আরো অনেক কিছুই করে থাকে। এ বিষয়ে তাদের প্রচারণা ও বানোয়াট কিচ্ছা-কাহিনী শুনে সুন্নী মুসলিমদের অনেকেই ধোঁকা খায়। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ্ অনুযায়ী হুসাইন বা অন্য কারও মৃত্যুতে মাতম করা কিংবা তিনদিনের বেশি শোক পালন করা জায়িয নেই। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো মুসলিম নামধারি এক শ্রেণীর মানুষ ৬১ হিজরির মুহার্রমের দশ তারিখে কারবালায় হুসাইন (রা.) নিহত হওয়ার কারণে শতশত বছর যাবৎ শোকদিবস হিসেবে পালন করে আসছে। সেই সঙ্গে তারা আশুরার পবিত্রতাকে জড়িয়ে দিচ্ছে। শিয়া-রাফেযীদের প্রচারণা, মিথ্যা কাহিনী ও বাড়াবাড়ির কারণে যেসব সুন্নী মুসলিম হুসাইনের মৃত্যু ও কারবালার ঘটনায় ধ্রুম্রজালে আটকে পড়েছেন, তাদের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন করছি। যারা কারবালার সঠিক ঘটনা ও প্রকৃত তথ্য না জানার কারণে এ ব্যাপারে সন্দিহান ও বিভ্রান্তিতে আছেন, তারা প্রশ্নগুলো ভালোভাবে বুঝলে নিজে নিজেই প্রকৃত ঘটনা সহজভাবে বুঝে যাবেন ইন্শা—আল্লাহ। সেই সঙ্গে কারবালার ঘটনার ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় ও বর্জনীয়টাও সহজভাবেই বুঝা যাবে।. . . বিস্তারিত

ঢাকায় সূর্যোদয় : 5:22:21 সূর্যাস্ত : 6:47:59

সাপ্তাহিক আরাফাতকে অনুসরণ করুন

@সাপ্তাহিক আরাফাত